নাটক

রজনী

চরিত্রলিপি মাহবুব   পত্রিকা সম্পাদক সিরাজ   যুগ্ম সম্পাদক মোবারক বার্তা সম্পাদক শহীদ    শিফ্ট-ইন-চার্জ কবির    রিপোর্টার শওকৎ  সাব এডিটর হেমায়েত         ,, মাহমুদ  ,, রব       ,, নাজির   শিক্ষানবিশী সাব এডিটর মাসুর    বোর্ড অফ ডাইরেক্টরসের চেয়ারম্যান ইফতেখার        বোর্ডের সদস্য একরাম  ,, জব্বার   ফোরম্যান হানিফ   ,, হাবিব    সার্কুলেশন ম্যানেজার কুদ্দুস    সাক্ষাৎপ্রার্থী প্রথম ছাত্র         সাক্ষাৎপ্রার্থী দ্বিতীয় ছাত্র        ,, আহমদ  পিয়ন সিদ্দিক

বলাকা অনেক দূরে

সাগর-তীরবর্তী ট্যুরিস্ট কেন্দ্র নিশাপুরের হোটেল প্যারাডাইস। অর্ধবৃত্তাকার কাউন্টার। কাউন্টারের একধারে টেলিভিশন। সম্ভব হলে অ্যাকাউন্টিং মেশিনও থাকতে পারে। বড়মতো লেজার, হোটেলে আগত ব্যক্তিদের নাম লেখার জন্য। তাছাড়া নানা সাইজের কার্ডবোর্ডের প্ল্যাকার্ড। কোনোটা সিগ্রেটের, কোনোটা বিমান কোম্পানির, কোনোটা ট্র্যাভেল এজেন্টদের বিজ্ঞাপন। কোনোটায় আবার হোটেল প্যারাডাইসের বার বা রেস্তোরাঁর প্রচার। যেমন ‘ট্রাই আওয়ার ব্লু রুম ফর ডিনার’ জাতীয়।

তারা ঝরার দিন

সকাল বেলা। মামুলি সাজানো ঘর। মঞ্চের পেছনে বাঁ-ধার ঘেঁষে পর্দা আটা দরজা। একধারে জানালা। পর্দা টানা। দরজার পাশেই পাতা বিছানা। বিছানার তলায় জুতো, স্যান্ডেল। বিছানার মাথার দিকে টেবিল। তাতে নানা ধরনের জিনিস যেমন বইপত্র, আয়না, ক্রিমের কৌটো, তেলের শিশি, আয়না, প্রসাধন সামগ্রী, ফ্লাক্স, গ্লাস এবং শেড দেওয়া টেবিল ল্যাম্প। জিনিসপত্র ইতস্তত ছড়ানো। দেয়ালে, প্রায় মাঝামাঝি

নীল কমল

সকাল বেলা। প্রাতরাশের আয়োজন। দোতলার সিঁড়ির ল্যান্ডিংয়ে যে লাউঞ্জ সেখানেই লম্বা টেবিল পাতা। ছ’জনের বসার ব্যবস্থা। টেবিলের সিঁড়ির কাছের মাথায় বসবে গৃহকর্তা জাফর করিম। বয়েস পঁয়তাল্লিশ-ঊর্ধ্ব। আসনটি বর্তমানে খালি। লম্বালম্বিভাবে স্বামীর আসনের বাঁ-দিকের আসনটি স্ত্রী রোকেয়া করিমের। ত্রিশোর্ধ্ব। অন্যান্য আসনে বাড়ির অন্যেরা। দৃশ্যের গোড়ায় দেখা যাবে, কেবল স্ত্রী রোকেয়া উপবিষ্ট। টেবিলে প্রাতরাশের বিভিন্ন উপকরণ ও

তবু অনন্য

রচনা : আনিস চৌধুরী প্রযোজনা : সৈয়দ সিদ্দিক হোসেন (সম্পূর্ণ টিভি নাটক) মাঝারি আকারের কামরা। যেখানে বসা এবং খাবার ব্যবস্থা দুইই। খাবার টেবিল ছোট। চারজনের বসার উপযুক্ত। বসার অংশে হাতল দেওয়া দুটি সোফা সেটের আকারের চেয়ার। সে-সঙ্গে বেতের সেটের আরো একটি কী দুটি চেয়ার। ছোটমতো টেবিল মাঝখানে। বোঝা যাবে যথাসম্ভব ড্রয়িংরুমের আদল কোনোমতে টিকিয়ে রাখা।

চেহারা

এ নাটকের অন্যতম মুখ্য চরিত্র বেবী নামের মেয়েদের যে যেখানেই থাকুক। নাটকটি প্রথম টেলিভিশনে অভিনীত হয়। মঞ্চোপযোগী করার কারণে স্থানবিশেষে সামান্য পরিবর্তন করতে হয়েছে। দ্রষ্টব্য : ভুলবশত পরবর্তী পর্যায়ে চরিত্রলিপিতে কোয়েলের উল্লেখ নেই। কোয়েল চান্দু শেখের আশ্রিতা। বয়সে যুবতী। অনুরূপভাবে ড্রাইভার চরিত্রটিও ওই তালিকায় সংযোজিত হবে। ‘অন্যান্য ভূমিকায়’ যাদের নাম দেখানো হয়েছে তাদের অধিকাংশই চতুর্থ

যেখানে সূর্য

চরিত্রলিপি মোবারক          গৃহস্বামী নাসিম বানু        গৃহকর্ত্রী কবীর    মোবারকের ভাগ্নে, বেকার যুবক রুবী      মোবারকের বড় মেয়ে রীনা     মোবারকের ছোট মেয়ে মতিন   মোবারকের ছেলে কাসেম  প্রতিবেশী, শিকারি আবদুল  কাসেমের ড্রাইভার প্রথম দৃশ্য একতলা বাড়ির বারান্দা। কিছু বেতের চেয়ার এবং মোড়া রাখা। এক ধারে লম্বা সাজানো ফুলের টব। কিছু টব আবার বারান্দার ছাদের সঙ্গে ঝোলানো। সেগুলোতে মানি-প্ল্যান্টের

যখন সুরভী

মূল – আনিস চৌধুরী  বেতার নাট্যরূপ – সৈয়দ মোয়াজ্জম হোসেন প্রযোজনা : মাসুদুল হাসান কেয়া    :         আমি কি সেই কেয়া? এক যুগ আগের উচ্ছলা কেয়া, যে কেয়া একদিন কথায় কথায় হাসির ফোয়ারা তুলত, মিষ্টি কলতানে বাড়ি মুখর করে রাখত। প্রজাপতির ডানার মতো ভ্রুকুটি কাঁপিয়ে আবেগে উৎসারিত হতো সেই কেয়া আজ কোথায়? কোন অজানা অন্ধকারে হারিয়ে

ছায়া-হরিণ

(১৯৬৮) ভরা দুপুর। শহরের অন্তত এ রাস্তায় লোকচলাচল বিরল। দু-একটা গাড়ি দ্রুত বেরিয়ে যায়। কখনো-বা একখানা স্কুটার। রাস্তার ধারঘেঁষে ছোটমতো বাড়ি। সামনে পাকা মেঝের বারান্দা। সিঁড়ির দিক খোলা, তা নইলে নিচু রেলিংয়ে ঘেরা। সিঁড়ি দিয়ে নাবতেই সবুজ লন। এলোপাতাড়ি কিছু ফুলগাছ ও পাতাবাহার লাগানো তাতে। বাড়ির বাঁ-ধারে কলতলা। কলতলার জন্যে বাঁধানো জায়গার একখানে গ্রিলের জালি

প্রত্যাশা

চরিত্রলিপি : আলিম   যুবক     (বাইশ থেকে পঁচিশ) কবীর    যুবক     (তিরিশ থেকে পঁয়ত্রিশ) শওকত যুবক    (আলিমের সমবয়স্ক) রোকেয়া                    আলিমের স্ত্রী রানু                আলিমের ছেলে কুমকুম            আলিমের মেয়ে ভদ্রমহিলা                  যুবতী (১) তৃতীয় ও চতুর্থ দৃশ্যে আলিম ও কবীরকে আরো বছর বারো বেশি বড় মনে হবে (২) দ্বিতীয় দৃশ্যের পর আরো কয়েক বছর

এ্যালবাম

আনিস চৌধুরী বাংলা একাডেমী : ঢাকা প্রথম অভিনয় রজনী ১৫ই নভেম্বর, ১৯৫৭ কাটরাক্ হল, করাচি ইস্ট বেঙ্গল কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে মঞ্চস্থ চরিত্র                           ভূমিকায় ইনাম                           কামাল হায়দর কাইউম                        রফিকুল ইসলাম কলিম                          জামান আলী খান মুস্তাফা                         বাদল সরকার মকবুল                         রুমী লিলি                            রিজিয়া সুলতানা রুবী                            রানী সরকার নাসিম বানু                      রেখা আনোয়ার                      বদর চৌধুরী মীনু                            আনার রতন                          

মানচিত্র

প্রথম অভিনয় রজনী ৮ এপ্রিল, ১৯৫৬কাটরাক্ হল, করাচি ইস্ট বেঙ্গল কালচারাল সোসাইটির উদ্যোগে মঞ্চস্থনাটকে অভিনয় করেন :মজিদ স্কুলশিক্ষক মজিবুর রহমান খানকলিম স্কুলশিক্ষক এ. বি. এ. লতিফমনসুর হেডমাস্টার আফতাবুদ্দিন আহমদইয়াকুব জমিদার জাফর করিমনায়েব আতোয়ার হোসেন খানআমিন মজিদের ছেলে রফিকুল ইসলামকামাল মজিদের ভাগ্নে নজিবুল হকলালু মজিদের চাকর মোতাহার আহমদমমিন ইয়াকুবের চাকর আবুল হোসেনআবদুল্লাহ দর্জি কাজী আবদুল হামিদকরিম